Skip to main content

আইপি এড্রেস [IP Address] লুকিয়ে ফেলার তিনটি সেরা উপায় [বিস্তারিত টিউন]

এই আর্টিকেলটি পড়ার আগে আপনি নিশ্চয়ই এবিষয়ে একমত যে " অনলাইনে গোপনীয়তা খুবই গুরুত্ববহ"। তাই অামরা অনেকসময় এনোনোমিয়াস [Anonymous] বা নামহীনভাবে ;ওয়েবে ঘোরাঘোরি করতে চাই প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে। হ্যাকারদের কাছে এর বিকল্প নেই একদমই। বর্তমানে এভাবে অনলাইনে এনোনোমিয়াস [Anonymous] মোড- গোপনীয়তা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
আপনি জেনে অবাক হবেন যে কেবল আপনার আইপি এড্রেস দিয়ে আপনার বাক্তিগত অনেক তথ্য হাতিয়ে নেয়া সম্ভব। আর এই কারণে গোপনভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করার প্রথম শর্ত আইপি লুকিয়ে ফেলা। প্রথমে বলে রাখি ফেক আইপি বা নকল আইপি এড্রেস বলতে কিছুই নেই; এটা মূলত আরেক বোঝা তৈরি করা। আপনি যা করতে পারেন সেটা হল আপনার আইপিকে লুকিয়ে ফেলতে পারেন। এর মানে আপনি ইন্টারনেটে পুরোপুরি এনোনোমিয়াস [Anonymous]বা লুকায়িত নন; একটি নিবেদিত অস্তিত্ব আপনাকে ট্রেস করতে পারে।কিন্তু ৯৬% সময় আপনি আপনার আইপিকে লুকাতে পারছেন যথেস্ঠভাবে।
ওয়েব জগতে আপনাকে লুকিয়ে ফেলার বা আইপি লুকিয়ে ফেলার; ৩টি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব :

পদ্ধতি ১ : উন্মুক্ত ওয়াইফাই ব্যবহার করে

মজার ব্যাপার হল এটাই একমাত্র উপায় আপনার বাসার বা অফিসের আইপি লুকিয়ে ফেলা।আপনি যখন পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করছেন; তখন কারও উপায় নেই আপনার বাসা বা মূল আস্তানা ট্রেস করার।আর এই হটস্পট যদি হয় কোন বাজার, বাস স্ট্যান্ড বা কোন বিমান বন্দরের! তাহলে আপনার এক্টিভিটি আরও বেশী আড়াল হবে অন্যান্য ব্যবহারকারীদের দ্বারা।
কিন্তু এখানে ঝুকি রয়েছে :
  • পাবলিক ওয়াইফাইয়ে ডাটা সচরাচর এনক্রিপ্ট করা হয় না।
  • যারা এই নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত তারা; সেই নেটওয়ার্কের অন্যান্য ব্যবহারকারীর লগিন ডিটেইলস। যেমন : ব্যাংক, ই-কমার্স সাইট, ফেসবুক এসবের তথ্য দেখে ফেলতে পারে।
  • এসব স্হানে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার বা ভাইরাসও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
  • তাছাড়াও আরও বহু উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে হ্যাকাররা; আপনার ডাটা পরিচয় চুরি করতে পারবে একটি পাবলিক ওয়াইফাই জোন থেকে।
তাই আপনি এখানে আপনার আইপি লুকাচ্চেন ঠিকই  ; কিন্তু একটি সিকিউরিটি ছিদ্র উন্মুক্ত করেই রাখছেন।

পদ্ধতি ২: ভিপিএন দিয়ে

VPN এর পূর্ন রূপ হল virtual private network। এর নামের চেয়ে এটি বলতে গেলে আরও বেশী সহজ একটি টার্ম। মূলত আপনি আপনার ডিভাইস বা কম্পিউটার;অন্য কারো নেটওয়ার্কের ভেতর দিয়ে ঢুকিয়ে দিয়ে ওয়েব ব্রাউজ করছেন।যাই হোক; আপনি যে কাজই করুন না কেন মনে হবে সে কাজ গুলো হয়েছে আপনি যার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেছেন তার থেকে। অন্য কথায়; যখন আপনি ভিপিএন এ কানেক্ট হচ্ছেন তখন আপনি আপনার; নিজস্ব আইপি লুকিয়ে ফেলছেন তাদের নেটওয়ার্ক এর আইপি দ্বারা। তবে অন্যের নেটওয়ার্কেরর ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন এতে করে আপনার কিছু রিস্ক থাকেই; তাই উপদেশ হচ্ছে পেইড ভিপিএন ব্যবহার করুন। প্রশ্ন হতে পারে : ফ্রী ভিপিএন কী আমাদের ডাটা বিক্রি করছে? তারা কি আপনার আসল আইপি উন্মুক্ত করে দিচ্ছে? উত্তর হল এটি ঘটতে পারে। তাই আমার সুপারিশ পেইড ভিপিএন ব্যবহার করা। পেইড ভিপিএন গুলো সাধারনত লগলেস[logless] হয়; অর্থাত তারা কোন তথ্য স্টোর করে রাখে না; সুতরাং কোন অনুরোধেও তারা কোনো আইপি ছেড়ে বা উন্মুক্ত করে দিবে না।
NordVPN এবং ExpressVPN হতে পারে আপনার জন্য চমৎকার দুটি অপশন। তাছাড়াও যেটিই আপনি ব্যবহার করেন না কেন। অ্যাপলিকেশন ডাউনলোড করুন >ইনস্টল করুন>চালু করুন>পছন্দের ভিপিএন প্যাক চালু করুন।

পদ্ধতি ৩: ওয়েব প্রোক্সি ব্যবহার করে

ভিপিএন যেভাবে কাজ করে ওয়েব প্রোক্সিও ঠিক একই ভাবে কাজ করে। এখানে ওয়েব ট্রাফিক প্রবাহিত হয় একটি প্রোক্সি সার্ভার দিয়ে। এখানে আপনার আইপিকে লুকানো হয় প্রোক্সি সার্ভার এর আইপি দ্বারা।
তবে এখানে প্রোক্সি ও ভিপিএন এর ভেতর পার্থক্য রয়েছে :
প্রথমত,এই নেটওয়ার্কটি এনক্রিপ্টেড নেটওয়ার্ক না। যদিও আপনার আইপি প্রোক্সি দ্বারা হাইড করা হচ্ছে; তবুও তা আইএসপি,সরকার দ্বারা উদ্ধার করা সম্ভব। শুধু তাই নয়; কিছু কিছু ওয়েবসাইটে আপনার আসল আইপিও দেখাতে পারে ফ্লাস/জাভাস্ক্রিপ্ট এর মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত, এখানে ব্রাউজার আপনাকে ব্রাউজার ট্রাফিকের ভেতর দিয়ে পার করে দেবে। ম্যানুয়ালি ব্রাউজার এর সেটিংস থেকে প্রোক্সি সার্ভার এর আইপি বসাতে হবে।

কিভাবে ব্রাউজারে ওয়েব প্রোক্সি সেটাপ করবেন :

প্রথমে ফ্রী ওয়েব প্রোক্সি খুজুঁন যেমন : প্রেমপ্রোক্সি ইত্যাদি। আপনার নিজের দেশের প্রোক্সি সার্ভার ব্যবহার করলে এটি আপনার জন্য দ্রুত গতির হবে; তবে অন্য দেশেরটা ব্যবহার করলে এটা তুলনামূলক কম গতির হবে।
ফায়ারফক্স:
  1. মেইন মেনু থেকে "অপশন" সিলেক্ট করুন।
  2. তারপর Advanced Tab থেকে > Network Section এ প্রবেশ করুন।
  3. Connection এর নিচে > Settings ক্লিক করুন।
  4. এবার ম্যানুয়াল প্রোক্সি কনফিগারেশন ক্লিক করুন;তারপর HTTP প্রোক্সি ফিল্ডে প্রোক্সি এড্রেস এবং পোর্ট টাইপ করুন।
এডজ:
  1. মেইন মেনু থেকে সেটিংসে ক্লিক করুন।
  2. স্ক্রল করে নিচে গিয়ে ক্লিক করুন View Advanced Settings
  3. স্ক্রল করে নিচে গিয়ে ক্লিক করুন Open proxy settings
  4. মেনুয়াল প্রোক্সি সার্ভার এর নিয়ে use a proxy server এনেবল করুন তারপর; ফিল্ডে সার্ভার এড্রেস ও পোর্ট লিখুন।
ওপেরা ও গুগল ক্রোম :
  1. মেইন মেনু থেকে সেটিংস ক্লিক করুন।
  2. Network এর নিচে ক্লিক করুন "Change proxy settings "।
  3. Connection Tab এ ক্লিক করুন Lan Settings।
  4. Use a proxy server for your lan এনেবল করুন; তারপর সার্ভার এড্রেস ও পোর্ট এড্রেস ফিল্ডে লিখুন।

Comments

Popular posts from this blog

কোন প্রকার সফটওয়্যার ছারাই ইউটিউব থেকে যেকোনো ভিডিও ডাউনলোড করুন

আসসালামলাইকুম। সবার ঈদ কেমন কাটল ? আশা করি ভালই। ত বকবক করে লাভ নেই। আজকে আমি আপনাদের সামনে নতুন আক্তা টিপস নিয়ে হাজির হয়েচি। আজকে আমরা দেখব কিবাভে youtube থেকে যেকোনো ভিডিও download করা যায়। তা অ আবার কোন প্রকার সফটওয়্যার ছারাই। ত চলুন শুরু করা যাক। DIRECT WEBSITE LINK:  http://bitigee.com/1FHl প্রথমে আমরা ইউটিউব থেকে একটা ভিডিও ওপেন করব। https://www.youtube.co  তারপর নিচের মত url থেকে www. ডিলিট করে দিব। তারপর https:// এর পর ss যোগ করব এবং enter press করব নিচের মত> যেকোনো একটা ফরম্যাট সিলেক্ট করব। ডাউনলোড া ক্লিক করব। তাহলে ডাউনলোড হয়ে যাবে ত আজ এই পর্যন্তই। টিপস তা কেমন লাগব তা অবশ্যই comment এর মাদ্দমে জানাবেন। like, share করতে ভুলবেন  না

আপনি কী জানেন আপনার মোবাইল আপনার ঠিক কতটা ক্ষতি করছে ? মোবাইল ব্যবহারকারিদের প্রত্যেক কে পড়তে অনুরোধ করছি

বর্তমানে আমরা মোবাইল ছাড়া অচল কিন্তু আমরা কি কেও একবার এর জন্যও ভাবি যে এই মোবাইল আমাদের ঠিক কতটা ক্ষতি করছে ? ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিশ্চিন্তে কথা বলে যায় মোবাইল এ। আজকে আমি যে টিউনটা করতে যাচ্ছি সেটা একটা সতর্কতা মুলক টিউন। বিপদ সমূহ ১) বিজ্ঞানীদের মতে, একটি পরমানবিক চুল্লির যে বিপদ তার থেকে মোটেও কম নয় এই ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড এর ক্ষতি। যাদের করোটি যত পাতলা, তাদের মোবাইল এফেক্ট তত বেশি। ব্রেন টিউমার থেকে শুরু করে নার্ভাস সিস্টেম ব্রেকডাউন, হার্ট অ্যাটাক সব কিছুরই সম্ভবনা বেড়ে চলেছে। ২) মোবাইল ফোন ব্যবহার এর ফলে আমাদের মস্তিস্কের একটা অংশ উত্তপ্ত হয়ে উঠে। তার ফলে মস্তিষ্কের টিস্যু গুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। মগজেও থাকে তার প্রতিক্রিয়া। ৩) ঝড়ের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে সমূহ বিপদ দেখা যেতে পারে। ৪) বুক পকেটে মোবাইল রাখলে হার্টের সমস্যা হবার সম্ভবনা বেশি থাকে। ৫) ইয়ার ফোন ব্যবহার না করে, কানের গোড়ায় রেখে মোবাইল এ বেশি কথা বললে কানে কম শোনা এমনকি বধিরতার আশঙ্কা পর্যন্ত থাকতে পারে। ৬) বন্ধ্যাত্ব বাড়ছে। অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার করলে মুখে ক্যানসার বা মেলিগনানট টিউমার এর ঝ...